রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনিয়ায় শুষ্ক মৌসুমে সেচের চাহিদা পূরণে স্থাপন করা হয়েছে তিনটি সোলার সেচ প্ল্যান্ট। প্ল্যান্টগুলো তীব্র সেচ সংকটে থাকা এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিটি প্ল্যান্টের আশেপাশে প্রায় ৫০ কানি করে মোট ১৫০ কানি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা যাবে। এছাড়া সৌরবিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্পের মাধ্যমে ডিজেল ও বিদ্যুৎচালিত পাম্পের চেয়েও অর্ধেক মূল্যে জমিতে পানি দিতে পারবেন কৃষকরা।
জানা যায়, রাঙ্গুনিয়ায় ইতিপূর্বে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আওতায় বেতাগী, পারুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক সৌর সেচ পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর বাইরে এবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের চাহিদা পূরণে ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার এন্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প থেকে স্থাপন করা হয়েছে আরও তিনটি সোলার প্ল্যান্ট। এরমধ্যে লালানগর ইউনিয়নের চাঁদনগর ও গজালিয়ায় দুটি এবং মরিয়মনগর ইউনিয়নের গুমাইবিলের কাটাখালী এলাকায় একটি স্থাপন করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কারণে এখন সারাবছর ধরেই জমিতে সেচ দেয়া যাবে এবং পতিত জমিতেও এখন চাষ হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সৌর সেচের মাধ্যমে জমিতে পানি দেওয়া বাবদ শতাংশপ্রতি ২০ টাকা খরচ হবে। যেখানে বিদ্যুতের মাধ্যমে মোটর দিয়ে পানি দিতে খরচ হয় ৩৫ টাকা। আর ডিজেলচালিত মেশিনে খরচ পড়ে ৪০ টাকা। এভাবে সৌর সেচের মাধ্যমে কৃষকের প্রায় অর্ধেক টাকা সাশ্রয় হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস জানান, এটি সরকারের পরিবেশবান্ধব একটি প্রকল্প। এর মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধ, বিদ্যুৎ সংকটের চাপ কমানো, পানির অপচয় রোধ হবে। যে তিনটি স্পটে সোলার সেচ প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে তীব্র সেচ সংকট ছিলো। সেখানে এই প্ল্যান্টগুলো স্থাপনের পর আশেপাশের শুষ্ক মৌসুমে অনাবাদি থাকা জমিগুলোতে এখন সারাবছর আবাদ করা যাবে। কৃষক দল গঠন করে এই প্ল্যান্টগুলো পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি।




